অসময়ে আমন্ত্রন...

In the heart of my heart .. there is peace and acceptance for all!

  • আমার যাত্রা…
  • ব্যানার এবং ব্যাকগ্রাউন্ড

আমার Kellogg’s K!

Posted by নিঃশব্দতার ছন্দ on ফেব্রুয়ারি 21, 2012
Posted in: আমার মত কেও..., সাগরের পারে বনভোজন, স্বাস্থ্যের আনন্দ-ঘুড়ি উড়ছে. Tagged: ওজন, খাওয়া দাওয়া, খাদ্য, জিম, বেয়াম, ভাত, Kellogg's K. Leave a Comment

খাবার দাবার আমাকে বরাবরই টানে। এই কারনে পেটের দিক থেকে আমি বেশ এগিয়ে আছি।  আমার আরো ৩ ইঞ্চি পেট কমাতে হবে। সমস্যা হচ্ছে আমরা সব কাজ করি পেটটাকে ঝুলিয়ে। বুদ্ধি করে কেও পেট চেপে রেখে কিছু করে না। আমার ইন্সট্রাকটর সারাদিন আমাকে বকা দিতে থাকে পেট ভেতরে দিয়ে ওয়ার্ক আউট না করার জন্য। অনেকের এতদিনে অভ্যাস হয়ে গেছে পেট চাপ দিয়ে কাজ করার কিন্তু আমি এখন পর্যন্ত করতে পারলাম না। হায় হায়, এই নিয়ে বলতে বসে মনে পরল পেট চেপে টাইপ করার!!  কারন, আমার মনেই থাকে না। বিশাল আকৃতির এই মনে যে কে থাকে তা না হয় নাই বলি! তাই আজ থেকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি দুপুরের ভাতটাকে বিদায় জানাব। রাতের ভাত কে দুই বছর আগে বিদায় জানিয়েছি এইবার দুপুরের ভাতকেও বিদায় জানাবার পালা। আমি ahhsomely শুরু করলাম আজ থেকে। দেখি একটানা কত দিন আমি ভাত না খেয়ে থাকতে পারি। নিজেকে পরীক্ষা করার প্রচেষ্টা মাত্র। আশা করি পারব। মনে যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে মানুষ পারে না এমন কিছু নেই!

আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে এর আগেও আমি বহুরবার ভেবেছি ভাত খাওয়া ছেড়ে দেব। অনেক তো খেলাম। দুই এক বছর ভাত না খেলে কি হয়। ভাতের বদলে অনেক খাবার আছে খাওয়ার। যেই পরিমানে carbohydrate ভাতে থাকে তাতে দুই এক বছর না খেলে বরং আমার নিজের শরীরই ভাল থাকবে। যেই হারে ডায়াবেটিস এবং কিডনির সমস্যা চারিদিকে শুনছি তাতে মনে হয় এখন থেকেই নিজের প্রতি যত্নশীল না হলে ত্রিশ পৌছাতেই নানা রোগ শরীরে বহন করে বসে থাকব। কিন্তু আমি গত নয়মাস ধরে ভাত খাওয়া ছাড়তে পারিনি।  অনেক চেষ্টা করেছি কিন্তু দুপুর হলে ভাত না খেলে আমার মনে হয় আমি কি যেন খাইনি কি যেন খাইনি। কিন্তু গত এক সপ্তাহ ধরে আমার বাম Thigh এর  muscles নিয়ে যেই পরিমান কষ্ট করতে হচ্ছে তাতে আমার ভাত কেন, সব ধরনের খাবারে উপর এক ধরনের বিতৃষ্ণা চলে আসছে। মনের মত করে ওয়ার্ক আউট করতে পারছিনা, বেশ কিছু মেশিন ব্যাবহার করতে পারছিনা, সব মিলিয়ে মানসিক ভাবে অনেকটা বিপর্যস্ত আমি। কিছুতেই মেনে নিতে পারছিনা নিজের thigh injury। বার বার মনে হচ্ছে কেন হল, কিভাবে হল। সব দোষ আমার।

যাই হোক!

বিসমিল্লাহ্‌ বলে আজ আমি অনেক সাহস করে কিনে নিয়ে আসলাম Kellogg’s K! Its not like i am out of shape কিন্তু আমি স্বাভাবিক ভাবেই মাইনাস বা সাইজ জীরো নয়, একটু সুন্দর দেখতে শেইপ এ নিজেকে দেখতে চাই। তাই বলে আমি পুষ্টিহীনতায় ভুগছে এমন মেয়েদের মতও দেখতে চাইনা। গলার হাড় বেড়িয়ে থাকবে বা হাত/পা দেখলে মনে হবে ম্যাচের কাঠি, এমন যেন না হয় আল্লাহ্‌।  আমি চাই শরীরে মেদ থাকবে তবে  তা থাকবে শেইপের মধ্যে। মানুষ আমাকে দেখে বলবে মেয়েটা অনেক খায় কিন্তু শরীরটা সুন্দর। কোন নায়িকা বা মডেল এর মত না, আমার নিজের মত করেই সুন্দর হতে চাই। আল্লাহ্‌ আমাকে অনেক দিয়েছেন (আলহামদুলিল্লাহ) যা একটু ঘষা মাজা করলেই নিজের কাছে নিজেকে সুন্দর লাগবে। আসলে দিনে সব চেয়ে বেশি আমি নিজেকে দেখি। নিজের রুপ দেখি, চোখ দেখি, হাত-পা দেখি। এমনকি ওয়ার্ক আউট করার সময়ও আমি অপলক দৃষ্টিতে নিজেকে দেখি। আমার ভাললাগে নিজেকে দেখতে।  I am so in love with myself।

আমার এক বান্ধবী প্রথম প্রথম অবাক হয়ে তামাশা দেখত, একটা মেয়ে জিমে এসে কেন নিজেকে মিনিটের পর মিনিট এক দৃষ্টিতে দেখতে থাকে? তার কাছে খুব আশ্চর্য লাগত। সে একদিন আমাকে বলেই বসে, “আর কত দেখবা নিজেকে? অনেক তো হল, তুমি তো সুন্দরই।” আমি যতই সুন্দর হইনা কেন, যতক্ষন না নিজের কাছে নিজেকে সুন্দর লাগছে আমি চুপ করে বসে থাকার মত মেয়ে না। অনেকে আবার আস্তে আস্তে জিজ্ঞাসা করে, “বয়ফ্রেন্ড আছে বুঝি? সে কি তোমাকে আরো শুখিয়ে যেতে বলেছে?” excuse me? Talk to my hand! বয়ফ্রেন্ড আমাকে বলবে আর তার কথা আমি গোগ্রাসে গিলে ফেলব এমনটা কোন দিন হয়নি ভবিষ্যৎ এও হবে না। কারো জন্য নিজেকে বদলানোর theoryতে  আমি বিশ্বাস করিনা। একজন চেইন স্মোকার কে যেয়ে যদি আমি বলি, “এই শুন আমি তোমাকে ভালবাসি, সিগারেট খাওয়া বন্ধ করে দাও” ; তার পক্ষে কি খুব সহজে নিজের এত বছরের অভ্যাস কে বদলে ফেলা সম্ভব? হয়ত সে পারবে, যদি তাকে বাধ্য করা হয় সে পারবে। কিন্তু আমি বাধ্য করতে যাব কেন? আমি স্মোকার পছন্দ করি না, আমি তাকে চাইনা। শেষ!  নাকি একজন মদ্যপ প্রেমিক কে যেয়ে আমি emotional blackmail করে মদ পান করা  বন্ধ করাব? আসলে কাওকে বদলে ভালবাসার মধ্যে কোন আনন্দ আমি পাইনা। আমি মনে করি যে যেমন তাকে তেমনই জীবন সাথী খুঁজে নেয়া উচিত। মানুষকে বদলে তাকে ভালবাসার মধ্যে আমি  কোন স্বার্থকতা দেখিনা (সম্পূর্নই ব্যাক্তিগত মতামত)। এই সবে আমি বিশ্বাস করিনা। যাকে বিয়ে করব তার সব কিছু জেনে + মেনে বিয়ে করব এবং  দরকার হলে ওজন মেশিনে উঠে নিজের ওজন তাকে দেখিয়ে বিয়ে করব। বয়ফ্রেন্ড এর জন্য সাইজ জীরো বানিয়ে নিজের পরিহাস করতে চাইনা। দিনের শেষে বিবেকের কাছে আমাকে জবাব দিতে হয়। বিবেক কে কি উত্তর দেব আমি?  নিজেকে বয়ফ্রেন্ড এর মনের মত করতে যেয়ে এত কষ্ট করার মত মেয়েও আমি না। নিজের জীবনের অসংখ্য ঝামেলা নিয়ে যে বাঁচে না, তার আবার এত শখ আহ্লাদ একদম মানায় না!

তবে আমার এই ahhsome প্রয়াস কতদিন থাকবে জানিনা তবে টানা তিন দিন যদি আমি ভাত না খেয়ে থাকতে পারি তাহলে অবশ্যই আরেকটা ahhsome পোস্ট নিয়ে হাজির হব। Till then, যারা (মেয়েরা) Kellogg’s K কোন দিন খাননি তারা একবার খেয়ে দেখতে পারেন। সকালের ব্রেকফাস্টে! খেতে একদমই খারাপ না। তবে চকলেট কর্নফ্লেক্স কিনবেন না দয়া করে। আর মনে রাখবেন, যতিদন শরীর সুস্থ্য থাকে ততদিনই মনে সুখ থাকে। যেদিন অসুস্থ্য হবেন সেইদিন বুঝবেন শরীরটা পিতলের না, সোনার তৈরী!

Cheers!

অফুরন্ত সময় এবং সময়ের ব্যাপক ব্যাবহার!

Posted by নিঃশব্দতার ছন্দ on ফেব্রুয়ারি 17, 2012
Posted in: অবসরে রসগোল্লা..., আমার মত কেও..., কাঁচের বাক্সে ঘড়ির কাঁটা, জীবন যখন তেজপাতা, জীবনে যেমনটি হয়, টক ঝাল মিষ্টি, সে এক বিস্ময়!. Tagged: ওজন, খাবার দাবার, গভীর রাত, ডিভিডি, পা, পিনেং, প্রতিবেশি, ফিটনেস, বিদেশ, ভোর সকাল, মালায়শিয়া, শব্দ দূষন, সময়, স্ন্যাক্স. ১টি মন্তব্য

Intermission!

সিনেমা দেখতে দেখতে হঠাৎ করে intermission শুরু হল!  টান টান উত্তেজনার মধ্যে আকস্মিক বিরতি দিয়ে সবার আনন্দ নষ্ট করে দিল। কি হবে হবে ভাবতে যেয়ে দেখা গেল কাহিনি ভুলে গেছি। পরিস্থিতি পালটে যেয়ে হয়ে গেছে, “কি যেন হয়েছিল?”!  আমার জীবনটাও ধুম্‌ করে সিনেমার intermission এর মত হয়ে গেল। দীর্ঘ নয় মাস ধরে এক টানা ওয়ার্ক আউট করছি নিজেকে সুস্থ্য করার সফল প্রচেষ্টায়, সেখানে কথা নেই বার্তা নেই গত শনিবার বিশ মিনিট aerobics করার পর বাম পায়ের thigh কেমন শত্রুভাবাপন্ন আচরণ করল আমার সাথে। একেবারে সোজা বিছানায় ফেলে দিল। আমি কি বিছানায় শুয়ে থাকবার মত মেয়ে না কোন দিন কেও রাখতে পেরেছে আমাকে? এই ব্যাথা নিয়েই আমি ওয়ার্ক আউট করতে থাকলাম, পেইন স্পেসালিস্ট এর শরাপন্ন হলাম সাথে এক ডজনের উপর ঔষধ খেয়ে খেয়ে নিজেকে ক্লান্ত বানিয়ে ঘরে বসে বসে আপেলের সমান কুল খেলাম। লাভ কি হল কিছু? হল না! তাই গত দুই দিন ধরে পুরো বেড রেস্ট! যেই জিনিষটা আমার কাছে সব চেয়ে কুৎসিত লাগে। সুনীল শেঠীর থেকেও কুৎসিত।

এই দুই দিন ঘরে বসে বসে আমি বেশ কিছু ব্যাপার লক্ষ্য করলাম। কিছু ব্যাপার এত বেশি রকমের ahhsome যে আমি ব্লগ এ লগ ইন করতে বসে গেলাম!

Time and tide wait for none:

কথাটা আগে খেয়াল করিনি। গতকাল ভোর ছয়টায় হঠাৎ কোন একটা বিচিত্র কারনে আমার ঘুম ভেঙ্গে যায়। ঘড়িতে তাকিয়ে দেখি একদম কাটায় কাটায় ছয়টা বাজে। আমার প্রায় দুই মিনিটের উপরে সময় লাগে বুঝতে এইটা কি সকাল ছয়টা নাকি সন্ধ্যা ছয়টা। আমি কোথায়? গাড়িতে না বাসায়? আজব লাগে! গাড়িতে আমি কোন দিন ঘুমাই? এমন কেন মনে হল আমি বুঝলাম না। ঔষধের সাইড ইফেক্ট? আজ পর্যন্ত একবারি ঘুমিয়েছিলাম গাড়িতে। না ঠিক গাড়িতে না, আমি বাসে ঘুমিয়েছিলাম। তাও মালায়শিয়াতে। পিনেং যাবার সময়। বিদেশে গেলে মানুষজন প্রকৃতি দেখে, উপভোগ করে মনোরম পরিবেশ আর আমি বাসের মধ্যে টানা তিন ঘন্টা ঘুমিয়েছিলাম। উঠতাম না, একবারে পরের দিন সকলে উঠতাম কিন্তু গন্তব্যে পৌছানোর কারনে আমাকে ঘার ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দিয়েছিল। না , ছিঃ! ঘার ধাক্কা দেইনি শুধু বলেছিল নেমে যেতে। অথচ ঢাকায় ঘন্টার পর ঘন্টা জ্যামে বসে থাকলেও আমার ঘুম আসে না। শুধু গালি আসে মাথায়। যাকে ইচ্ছা গালি দিতে ইচ্ছা করে। এত বছর জ্যামে বসে বসে অভ্যাস হয়নি! আর বাথরুম লাগলে তো কথাই নেই! আচ্ছা গাড়িতে বসে বাথরুম লেগেছে এমন কি কেও আছেন? আপনাদের অভিজ্ঞতা শুনতে ইচ্ছা করছে।  হ্যাঁ, যা বলছিলাম,   তাহলে কালকে এমন কেন লাগল? এই চিন্তা করতে করতে আমার ঘুমিয়ে পরি। এক ঘুমে সকাল এগারটা। এর মধ্যে ফোন দিয়ে বেশ কয়েকবার মেইল চেক করলাম, টুইটার এবং ফেইসবুক তো আছেই!

আজকে সকালে আবারো ঘুম ভাঙ্গল একদম ঘড়ি দেখে সাড়ে ছয়টায়। লাফ দিয়ে উঠে কেন যেন লাইট বন্ধ করতে গেলাম! লাইট বন্ধ করে আমার জ্ঞান আসল। দেখি পুরো ঘর অন্ধকার হয়ে আছে। বুঝলাম না আমি কোথায়, স্বপ্ন দেখছিলাম। এত টুকু মনে হছে স্বপ্নে আমি জার্মানি থেকে ইন্দোনেশিয়া যাচ্ছি। ইন্দোনেশিয়ার এক বিল্ডিং থেকে আমার মনে হয়েছে নোয়াখালির কোন এক টাওয়ার এর সাথে হুবুহু মিলে যাচ্ছে। না আমি কোন দিন ইন্দোনেশিয়া গেছি, না কোন দিন নোয়াখালি! আমি মনে হয় BPL এর বরিশাল বার্নারসদের নিয়ে এত বেশি চিন্তা করে ফেলেছি যে স্বপ্নে আজব আজব জিনিষপত্র দেখছি! ইন্দোনেশিয়া এবং নোয়াখালির কানেকশন আমি এখনও খুঁজে পাইনি। কিছুক্ষন বেডে চুপ করে বসে থেকে মনে হল ঘুমিয়ে পরি। দিলাম ঘুম। কিছুক্ষন পর আবারো ঘুম ভাঙ্গে ফোনের শব্দে। ভাইব্রেট করল। হয় whatsapp এ ম্যাসেজ না হলে কোন মেইল। বাকি নোটিফিকেশন বন্ধ আছে! কিছুক্ষন টুইটিং করে আবার ঘুমিয়ে পরলাম। এক ঘুমে দুপুর ১টা! তারপর যতবার ঘড়ি দেখছি ততবারই মনে হচ্ছে ঘড়ির কাঁটা কোথায় যেন আটকে আছে। একবার সেল ফোনে সময় দেখি একবার বের হয়ে ডাইনিং এর বিশাল সাইজের ঘড়ি তো একবার কম্পিউটার এ ঘড়ি দেখি! সময় নাকি কারো জন্য অপেক্ষা করে না কিন্তু আপনি যখন সময় পার হয়ে যাবার জন্য অপেক্ষা করেন তখন কেমন লাগে বুকের মধ্যে খানে মন যেখানে সামিনা নবির মত?

এতদিন ছিল সময় পাইনা সময় পাইনা আমাকে ক্ষমা কর আর এখন হয়েছে সময় কাটেনা সময় কাটেনা আমাকে কিছু কাজ দাও!

Television:  chewing gum for the eyes:

Its the other way around for me!  Mr.Frank Lloyd Wright কথাটা কার জন্য বলেছিলেন আমি জানিনা তবে অবশ্যই আমার মা’র জন্য শতকরা ৯৯ ভাগ সত্য! ভদ্রলোক কি বেঁচে আছেন? বেঁচে থাকলে আমার একবার হলেও মা’র সঙ্গে তার কথা বলার ব্যাবস্থা করে দেয়া দরকার! এই পৃথিবীতে সব চেয়ে অসহ্য যদি কিছু থেকে থাকে তা হবে টেলিভিশন দেখা! আমি খুব বেশি হলে আধা ঘন্টা একটানা টিভি দেখতে পারি। এর পর আমাকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখলেও কেও টিভি দেখাতে পারবে না। শুধু টিভি কেন, কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও তা প্রযোজ্য। এই যেমন কিছু দিন আগে এই পোস্ট এ আমি লিখেছিলাম আমার টিভি এলার্জি প্রসঙ্গে! সেই আমি গত দুই দিন ধরে কম করে হলেও বার ঘন্টা টিভি দেখেছি! :D টিভি চলেছে আপন মনে আমিও এদিক থেকে সেদিক থেকে টিভি দেখছি। চ্যানেল চেঞ্জ করে করে মুভি দেখেছি দুটো, কাল MTV Roadies দেখলাম প্রায় আধা ঘন্টা, ক্রাইম পেট্রোল দেখেছি! জী বাংলার সব চেয়ে নিকৃষ্ট ধারাবাহিক রাশি তার নামটাও স্যালাইন গিলে ফেলার মত গিলে ফেলেছি! এমনকি দুই একজন বন্ধু যখন ফোন দিয়ে বলেছে কথা বলতে চায় (তাদের মতে আমি বাসায় বসে বসে মরে যাচ্ছি) তাদেরকেও আমি  “পরে ফোন দিও টিভি দেখছি ” বলে চমকে দিয়েছি! আরো আবিষ্কার করলাম, আমাদের শেষের দিকে মানে চল্লিশ এর পর বেশি কিছু দেশি বিদেশি চ্যানেল দেখা যাচ্ছে। তার মধ্যে একটা ETC! এই চ্যানেলটা সেই ১৯৯৪ সালের দিকে দেখেছিলাম। মাঝে বহু বছর বন্ধ ছিল আমাদের এরিয়াতে। হঠাৎ করে ETC দেখে পুরনোদিনের সুখের স্মৃতি মনে পরে গেল! সেই DDLJ এর শাহরুখ খান আর কত শত গানের বাহার নিয়ে বসে থাকত চ্যানেলটা!

এইবার আসি ahhsome একটা বিষয়ে, কাল রাত আনুমানিক একটার দিকে চ্যানেল সময় দেখতে যেয়ে হঠাৎ করে মনে হল, জায়গাটা চেনা চেনা লাগে। কোন জায়গা এইটা? পরে যখন নিজের এপার্টমেন্ট এর সামনেটা দেখলাম তখন একদম নিশ্চিত হলাম আমার বাসার সামনেই এসেছিল তারা! ইশ্‌ একটু কেও বলত আমাকে, ইন্টারভিউ দিতাম! কেও রিপোর্টারকে খবর দিয়েছে! বেশ কিছুক্ষন WASA’র পনের গুষ্টি উদ্ধার করল চ্যানেলটা! না, আসলে তারা বোঝাতে চেয়েছে এইভাবে রাস্তা খোঁড়া খুঁড়ি করেও প্রকৃত সমস্যার কোন সমাধান হচ্ছে না!  জীবনটাকে শেষ করে দিয়ে, যাতায়াতের সব মাধ্যম বন্ধ করে দিয়েও বলে কোন সমস্যার সমাধান হচ্ছে না! কিন্তু  এই প্রকৃত সমস্যাটাই আমি বুঝতে পারিনি। বাকি সব বুঝেছি!

One cannot think well, love well, sleep well, if one has not dined well!

আমি একটা ব্যাপার বেশ গভীরতার সাথে অনুভব করলাম যে বাসায় বসে থাকলে আমার শুধু খাই খাই করে মন।আমি জানিনা কেন?! বাসার বাহিরে থাকলে আমার যেমন খাবারের কথা মনে পরে না বা খাবারের প্রয়োজন বোধ করিনা, বাসায় থাকলে ঠিক তার উলটোটা হয়। আমি আগে কখনও এইভাবে চিন্তা করে দেখিনি কিন্তু এই প্রথম আমার মনে হল দরকারের থেকে অনেক বেশি ক্যালোরি আমার আহার হয়ে গেছে! কুল থেকে শুরু করে কিসমিস, কোন কিছুই আমার তালিকা থেকে বাদ যায়নি। দিনে আমি এক কাপের বেশি চা খেতে চাইনা অথচ বাসায় থাকার কারনে দুই/তিনবার চা খাওয়া হয়ে যাচ্ছে। মা’কে বললাম যে কয়দিন আমি বিশ্রামে থাকব সে কদিন যেন বাহির থেকে কোন স্ন্যাক্স না আনা হয় অথচ গত দুই দিন ধরে এক মামার বাসা থেকে দফায় দফায় খাবার আসছে। একবার আসল খিচুরি, একবার পাকোড়া সহ নানা ধরনের ভাঁজা, আবার আজকেও এসেছে চিকেন ফ্রাই সব বেশ কিছু রান্না! আমার বেড রেস্ট এর সাথে সাথে কেন এত রকমের খাবার মনের আনন্দে গৃহে প্রবেশ করছে সেটাও বুঝলাম না! ভাবলাম যে কদিন জিমে যাব না সে কদিন অন্তত ফ্যাট আছে এমন খাবার খাব না অথচ আমার হচ্ছে ঠিক তার বিপরীত। আমার খিদাও লাগছে সেই পরিমানের। যত মন কে বলছি আর ধরবিনা কলা, তেমনি মালটা খেতে ইচ্ছা করছে। একটু আগেও আমি একটা কুল খেয়ে আসলাম। সন্ধ্যা থেকে এই নিয়ে হাজারো রকমের খাবার চিন্তা আমার মাথায় আসল। একবার কেইক তো একবার বোরহানি তো আরেকবার টাইম আউট এর ahhsome চাইনিজ! কেও কি আছে যে আমার মুখে বিশাল আকৃতির একটা স্কচ টেইপ ভালমতে লাগাতে পারবে?

ডায়েট এবং ওয়েট নিয়ে আমি যেই পারিমানে চিন্তিত তা দূর করতে আমাকে নাকি বিদেশ পাচার করা হবে! আমার এক ফ্রেন্ড একটু আগে ফোন দিয়ে বলল আমাকে সে সোমালিয়ায় পাঠানোর কথা ভাবছে। একমাত্র সোমালিয়াতে গেলেই নাকি আমি সম্পূর্ন সুস্থ্য হয়ে সমাজে ফিরে আসতে পারব। ওখানে এক বছর থাকলে নাকি আমার মুখের খাবার নিতেও এক ধরনের Guilty কাজ করবে।I don’t mind as long as they offer the internet connection। সেখানে যেয়েও তো আমাকে up to date থাকতে হবে! তাই না?

Oh, yeah, I love DVD’s? Who says that?

শব্দ দূষন কি তা নিয়ে কখন ভাবতে যাইনি কিন্তু ভাবছি একটা রিসার্চ পেপার লিখে ফেলব। আমাদের উপর তলার আন্টির ফ্ল্যাট হবে সেই রিসার্চের মূল অংশ! রাত তিনটার সময় প্রচন্ড শব্দ করে কে যেন চেয়ার টানল। শব্দটা এমন ভাবে মস্তিষ্কে আসল যে আমি কিছুক্ষনের জন্য থমকে যেয়ে বুঝতে পারলাম না মাথার উপরে কেও চেয়ার টানল নাকি আমার রুমে?! আমার রুমে কোন চেয়ার নেই যা টানলে এত জঘন্য শব্দ হবে। আমি প্রতিবেশি হিসেবে মহান। আমার নীচের তলার নামকরা লেখিকা দশ বছরে কোন দিনও কোন অভিযোগ করতে পারেনি। পারার কথা না। আমি নিজেও হাঁটি গুটি পায়ে। আর উপর তলার খানদানি প্রতিবেশিরা  শুধু চেয়ার/টেবিল না ,ফার্নিচার ধরেও টানাটানি করতে থাকে। আমি বুঝিনা এত শব্দ করে বাসার কোন ফার্নিচারটা তারা শিফট করে? খাঁট নিয়ে কি এক রুম থেকে অন্য রুমে যেতে থাকে? আর মাঝে মাঝে এমন ভাবে অনেকজন দৌড়া দৌড়ি শুরু করে যে মনে হয় বাসা তো না যেন ওয়ান্ডারল্যান্ড এ বেড়াতে এসেছে সবাই।

মজার ব্যাপার হচ্ছে এদের কোন নির্দিষ্ট সময় সূচি নেই। যখন ইচ্ছা হয় দেয় টান! নীচে কেও বেঁচে আছে না তাদের ফার্নিচার টানাটানির শব্দে মরে গেছে তা নিয়ে ওদের কোন মাথা ব্যাথা নেই! আর টান মারলে আমি নিশ্চিত আমার নীচের তলা পর্যন্ত শব্দ যায়। পরশু সারা রাত কেও একজন মার্বেল নিয়ে খেলেছে। আমার যখনই ঘুম ভাঙ্গে মনে হচ্ছে মার্বেল আমার কপালে মারছে। সকালে ঘুম থেকে উঠেই আমি ফোন দিলাম তাদের বাসায়। এক কাজের মেয়ে ধরে বলে, “বাসার খালাম্মা নাই।” কোথায় গেছে? “জানিনা, বলে যায়না।” দিলাম বকা। এই জন্যই তোরা ঘরের মধ্যে দৌড়া দৌড়ি করতে থাকিস। তোদের খালাম্মা আসুক দেখাব মজা। এমন ভাবে হাসি দিল যেন মনে হল খালাম্মাও ওদের সাথে ছোঁয়াছুঁয়ি খেলে!! খালাম্মা কে বললে যেন কিছুই হবে না! নাকি খালাম্মা ওদের ভয় পায়। আরো মজার ব্যাপার হচ্ছে আন্টি বাসায়ই থাকেনা। কোথায় যে যায় এক মাত্র আল্লাহ্‌ জানেন। একদিন অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গিয়েছিলাম উপর তলায়। বেল দিলাম, দরজা খুলল প্রায় তিন তিনটা বাঁদর সাইজের কাজের মেয়ে। বললাম বাসায় কে আছে, যে আছে তাকেই ডাক। ডেকে নিয়ে আসল এক বুড়িকে। সেই বুড়ি সবে মাত্র গ্রাম থেকে বেড়াতে আসছে। এক তো বয়স্ক মহিলা তার উপর আবার মেহমান! মনে মনে কয়েকটা গালি দিয়ে চলে আসলাম বাসায়। এইযে আমি ব্লগ লিখছি, এখনও টানাটানি চলছে! সোসাইটি কে বেশ কয়েকবার অভিযোগ করলাম। সোসাইটি তাদের অনেকবার হুমকি দিল, কাগজ পাঠাল। দুই দিন পর আবার শুরু। আমরাই ক্লান্ত হয়ে গেলাম অভিযোগ করতে করতে কিন্তু ওদের চেয়ার টেবিল এখনও ভাঙ্গলনা!  শকুনের দোয়ায় আসলে গরু মরছে না!

এই অত্যাচারের পাশাপাশি আমি আরেক অত্যাচার বের করলাম। গত দুইরাতই এই ঘটনা ঘটল। আমার ঠিক পাশের ফ্ল্যাট এ কেও একজন রাত ২টার পর অনেক ভলিউম দিয়ে DVD দেখে। আমার ধারনা  হলিঊড এর action ফিল্ম দেখে। ভয়ঙ্কর শব্দ এবং প্রায় বিল্ডিং কেঁপে উঠবে এমন অবস্থা। প্রথম রাতে আমি বুঝতে পারিনি। আমার মনে হল হয়ত নতুন DVD player নিয়ে আসছে তাই experiment করছে, কিন্তু কালকে রাতেও যখন একই পাওয়ার দিয়ে DVD play করল তাতে মনে হচ্ছে প্রতি রাতেই তারা দেখে। আমি কাল রাতে ঘর থেকে বের হয় লিভিং রুমে গেলাম। সেখান থেকে ওদের লিভিং রুম স্পষ্ট দেখা যায়। মাঝে শুধু বিশাল খোলা জায়গা। বায়ূ নির্গমনের জন্য করেছে। সেখানে দেখলাম আলো ফ্ল্যাশ করছে। জ্বলছে, নিভছে! শব্দ শুনে যে কেও এখন পর্যন্ত অভিযোগ করেনি আমি তাতেই হতাশ হলাম। কিছুক্ষন পানির গ্লাস হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার পর দেখি মাথার উপর বিকট শব্দ করে উপরে চেয়ার টানল। আমার মুখটা সে সময় কেমন হতে পারে? কল্পনা করে নিয়েন। আমি সেইভাবে ঘরে ফিরে এসে হালকা মিউজিক কানে দিয়ে ঘুমানোর চেষ্টা করলাম। ঘুমিয়েও পরলাম। আমার mp3 প্লেয়ার এর কখন যে ব্যাটারি শেষ হয়ে বন্ধ হয়ে গেছে বলতে পারব না।

এইবার আপনাকে একটা প্রশ্ন করব? জী, আপনাকে। এতক্ষন ধরে যে ব্লগটা পড়লেন,কেন পড়লেন? আমার না হয় কোন কাজ করা নিষেধ, আমার বাম পা’র জন্য বাসা থেকে বেরও হতে পারছিনা আবার কোন কাজও করতে পারছিনা কিন্তু আপনি কেন এত সময় নষ্ট করলেন?

:D

প্রশ্নটা এড়িয়ে যান। ইংলিশ এ বলে, ignore. I G N O R E ! পায়ের উপর ভর করেই মানুষ হাঁটে। যার পা নেই সে না জানি জীবনে বেঁচে থাকার জন্য কত কষ্ট করে। শেষে এসে emotional ডায়ালগ মেরে বিদায় নিতে চাইনা। আমি আসলে বলতে চাচ্ছি, শরীরের পাশাপাশি নিজের পায়েরও যত্ন নিন। তার মানে এই না যে আপনাকে হোটেল The westin এ যেয়ে বডি ম্যাসাজ নিতে হবে। আপনি নিজেই নিজের পায়ের যত্ন নিতে পারেন। সেটার জন্য আপনাকে হাতের আঙ্গুলের ব্যাবহার করতে হবে। জী, go to google.com and search ! :D

till then, সবাই প্রতিবেশির সাথে ভাল আচরণ করুন এবং জেনে রাখুন, আপনার প্রতিবেশিদের মধ্যে কেও গুরুতর অসুস্থ্য হতে পারে। কোন কিছু শব্দ করে করার আগে নিজের বিবেকের কাছে পরিষ্কার থাকুন। অন্যকে কষ্ট দিয়ে আপনার একাউন্টএ দুই পয়সাও আসবে না বলে দিচ্ছি! কখন, কিসের জন্য আপনাকে ধাক্কা খেতে হয় জীবনে তা কেও বলতে দিতে পারবেনা। সুতরাং ভাল থাকুন এবং আশে পাশের সবাইকে ভাল রাখার চেষ্টা করুন। ফ্রী উপদেশ দিয়ে দিলাম।

Remember me in your prayers!

God is kind :)

কি করি আমি কি করি!

Posted by নিঃশব্দতার ছন্দ on ফেব্রুয়ারি 15, 2012
Posted in: অবসরে রসগোল্লা..., জীবন যখন তেজপাতা, স্বাস্থ্যের আনন্দ-ঘুড়ি উড়ছে. Tagged: অবসর, ক্লান্ত, ব্যাথা, muscle strain. ১টি মন্তব্য

সময়টা অদ্ভুত! লক্ষ্য করে দেখলাম শরীরের কোন অঙ্গ যদি বিকলের দিকে যায় তাহলে বাকি প্রতঙ্গগুলোও বেশ আরাম করে তার সাথে হাঁটা শুরু করে।

গত দুই মাসে আমাকে যারা দেখেছে তাদের সকলের মুখে এক কথা, “তুমি এত শুখিয়েছ কিভাবে? আল্লাহ্‌ তুমি কি শুখিয়ে গেছ (and so on).” প্রথম দিকে কথাগুলো শুনতে খুব ভাললাগলেও পরের দিকে অসহ্য লাগত। মানুষ যেইভাবে নজর দিচ্ছিল তাতে আমার অসুস্থ হওয়াটা একদম নির্ধারিত ছিল। তাই হলও! গত শনিবার আমার এক চাচাত চাচী এসে প্রায় পনের মিনিট ধরে আমার দিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে ইচ্ছা মত নজর দিল, ঠিক তার এক ঘন্টা পর জিমে যেয়ে প্রচন্ড বাজে ভাবে বাম Thigh এর muscle এ টান লেগে যায় যেটাকে ইংলিশ এ বলা হয় Muscle strain । অনেকেই এই টার্ম এর সাথে পরিচিত তাই না? বিশেষ করে যারা খেলাধূলো অনেক করেন বা করেছেন? আমার কেন বা কিভাবে এমন হল তা বুঝতে খুব একটা কষ্ট হয়নি তবে হবার পর থেকে যা ব্যাথা এবং অত্যাচার আমি সহ্য করছি তাতে জীবনেও আর কোন দিন শরীর কে কষ্ট দিয়ে বেয়াম করব না। যা করতে আমি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করব না তার ধারের কাছেও আমি যাব না।

সম্পূর্ন বেড রেস্ট এ থাকলে সবার প্রথমে কি মাথায় আসে? খাবারের চিন্তা! আমি জানিনা কেন আমার আজ সারাদিন শুধু খাই খাই করে চলে গেল! এর পরই আসে কি করব, কি করা উচিত। ব্লগ আছে, খুলে লিখছি। গান আছে, শুনছি। ছবি আছে, ভাল করে দেখছি! ভিডিও চ্যানেল এ Don 2 শেষ করল (ahhsome) ! এখন The dirty picture শুরু হল! এই ফিল্ম গুলো নিয়ে আমার অনেক কিছু বলার আছে। কিন্তু তারপরও বুঝতে পারছিনা আমি কি করব আগামী দুই দিন? আমাকে যে বাসায় থাকতে হবে, আমাকে পুরোপুরি বেডরেস্ট এ থাকতে হবে। আমি কি করি?

মাঝে মাঝে জীবনে এমনও সময় আসে যখন হাতে অফুরন্ত সময় থাকে অথচ করার কিছুই থাকে না। এই শারীরিক অসুস্থতার জন্য আমি একটু হলেও বুঝতে পারি একজন পঙ্গুর যন্ত্রনা। সামান্য thigh এর ব্যাথা সহ্য করতে না পেরে আমি নিজেকে পঙ্গু ভাবা শুরু করে দিয়েছি অথচ পৃথিবীতে কত মানুষের পা নেই। জানিনা কেন আমি অসুস্থ হলে এত বেশি emotional হয়ে যাই। আমার কেন যেন মনে হতে থাকে আমি আর সুস্থ হব না কোন দিন! আমার এক ধরনের অদ্ভুত অস্থিরতা কাজ করতে থাকে। তবে ahhsome ব্যাপারটা হচ্ছে আমি আমার মা’র সাথে সারাদিন সময় কাটাতে পারছি। এক লম্বা সময় পর আমি আজ দুপুরটা মা’র সাথে পার করেছি। কালকের দিনেও আমি টুক টাক ঘরের কাজ করে সময় পার করব। অনেক দিন পর বাসায় থাকব কালকে। কোথাও যাব না। হয়ত মা’র পাশাপাশি নিজেকেও একটু সময় দেব। তারপরও মনে হচ্ছে কি করে দিনগুলো পার করব!

আমি সকলের দোয়াপ্রার্থী। আমি যেন আবারও নিজের দুই পায়ে ভর করে ঠিক ভাবে হাঁটতে পারি এবং ভবিষ্যৎ এ আরো সতর্ক হতে পারি সেই জন্য নামাজে বসে আমার কথা একটু স্মরণ করবেন।

till then, সবাই যেন খুব ভাল থাকি। :D

কেইক এর Ahhsomeness!

Posted by নিঃশব্দতার ছন্দ on ফেব্রুয়ারি 11, 2012
Posted in: অবসরে রসগোল্লা..., আমার মত কেও..., জ্যোৎস্নাক্রান্ত ভাললাগা, পূর্নচন্দ্র মধ্যগগনে, সাগরের পারে বনভোজন, স্বাস্থ্যের আনন্দ-ঘুড়ি উড়ছে. Tagged: কেইক, ব্ল্যাক ফরেস্ট, শুমিস হট কেইক. 2 comments

আজ আমি ভিষন খুশি! জিজ্ঞাসা করুন কেন?

কাল রাতে আমার দিল্লীর বান্ধবী সানিয়া, আমাদের প্রিয় অভিনেতা “ইকবাল খানের” জন্মদিন উপলক্ষ্যে বেশ মজা করে কেইক খেয়ে আবার সেই কেইক এর এক পিসের ছবি টুইটার এ আপলোড করেছে। কেইক এর ছবিতে ক্লিক করার পর থেকে আমার কেন যেন কেইক খেতে ইচ্ছা করছিল। আর যখন এমন ইচ্ছা হয় তখন আমি না খাওয়া পর্যন্ত শান্তি পাইনা। আমার মন অস্থির হয়ে যায়। সব কিছু অসহ্য লাগে। কাল রাত থেকেই আমি মনে মনে সিদ্ধান্ত নেই আমার যেইভাবেই হোক কেইক কিনে খেতে হবে। যেই সেই কেইক না, মজাদার কোন কেইক যা মুখের নেবার সাথে সাথে মিশে যাবে। খাবার পর মনে হবে, AHHSOME তো , আবার খাব!

যেই বলা তেমনি আমি আজ জিম শেষ করে দৌড়ে গেলাম শুমিস হট কেইক এ! কিনে ফেললাম ব্ল্যাক ফরেস্ট এবং শুমিস হট কেইক এর কিছু স্পেসাল  প্রেস্ট্রি! ছবি টা মোবাইল দিয়ে তুলেছিলাম তাই পরিষ্কার আসেনি কিন্তু এত শখ করে কত মাস পর আমি পেস্ট্রি কিনে খেলাম নিজেও বলতে পারব না। তাই ভাবলাম এই ahhsome feeling টা ব্লগ এ তুলে রাখতেই হয়! আমার মত যারা কেইক বা পেস্ট্রি খেতে খুব ভালবাসেন আজকের পোস্টটা তাদের dedicate করলাম।

কি খাবেন? খেতে ইচ্ছা করছে? :P

আমি আবারো আসব কিছু শপিং এর আপডেট নিয়ে, till then বসন্তের শুভেচ্ছা সবাইকে। খুব হাসি খুশি থাকেন এবং পরিবারের সবাইকে খুব ভাল রাখেন।

আমার জন্ম সপ্তাহ !

Posted by নিঃশব্দতার ছন্দ on ফেব্রুয়ারি 3, 2012
Posted in: আমার মত কেও..., কাঁচের বাক্সে ঘড়ির কাঁটা, কাছের মানুষেরা..., জীবনে যেমনটি হয়, জ্যোৎস্নাক্রান্ত ভাললাগা, টক ঝাল মিষ্টি, শীতের শুকনো পাতায় মর্মরধ্বনি, সে এক বিস্ময়!. Tagged: ক্যাফে থার্টি থ্রী, জন্মদিন, মুভ এন্ড পিক. Leave a Comment

বয়স বাড়লে ভাললাগে কারো? আমার লাগে না! আগে জন্মদিন আসলে এক অন্যরকম উচ্ছ্বাস কাজ করত মনের মধ্যে। এখন জন্মদিন আসলেই বুকের মধ্যে ধক্‌ করে উঠে। মনে হয়, এই বুঝি জীবন থেকে আরো একটা বছর না বলেই চলে গেল। সত্যি, বছর ঘুরে বছর আসতে এখন এত কম সময় লাগছে যে সেদিন বেশি দূরে নেই যখন কবর খোড়ার সময় চলে আসবে। জীবনে কি নিয়ে পরে থাকলাম আর কি পেলাম না সেই হিসাব করতে করতেই শেষ হয়ে যাবে সব কিছু। অথচ এত অমূল্য জিনিষপত্র চারিদিকে ছড়িয়ে রেখেছে আল্লাহ্‌ সেগুলোকে স্মরণ করার সময় কারো নেই। এইবারের জন্মদিন আরেকবার মাথায় বাড়ি দিয়ে গেল। মনে করে দিয়ে গেল আমার সময় হয়ে আসছে, চলে যাবার। এইবার নিশ্চয় জানতে চাইবেন বয়স পঞ্চাশ হল না ষাট? হ্যাঁ, আমি যাকেই এই কথাগুলো সেই বলে এখনও বিয়েই করলাম না আর তাতেই ঢং শুরু। আসলেও ঢং? নাকি মনের মধ্যে এক ধরনের ভয়, মৃত্যুর ভয়? জন্মের পরেই তো মৃত্যু!

এই বছর একের পর এক সারপ্রাইজ এর মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে আমার জন্ম সপ্তাহ। এখনও পার্টি শেষ হয়নি। আজ রাতে আরেক দফা ডিনার আছে।

৩১শে জানুয়ারী রাতঃ আমার খালাত বোন আজমির জন্মদিন। প্রতিবারেই ৩১শে জানুয়ারী আমাদের নানা বাড়িতে সেই জন্মদিন খেতে যাওয়া হয়। গত কয়েক বছর শুধু আজমি দাদা বাড়ি থাকার কারনে যাওয়া হয়নি। এইবার একদম ঘটা করে আয়োজন করা হয়। সেই আয়োজন এ আনন্দ করতে যেয়ে কখনও ভাবিনি আমার জন্যও অপেক্ষা করেছে এক সারপ্রাইজ কেইক। সেই রাতে আজমির কেইক কাটার পর আমিও বসে পরি নিজের জন্মদিনের কেইক কাটার জন্য। একের পর এক উপহার এবং হৈ চৈ করেই শুরু হল জন্মদিনের প্রথম পর্ব।

পহেলা ফেব্রুয়ারীঃ আমার জন্মদিন। রাত এগারটা থেকে শুরু হয়েছে ফোন আসা। ফেইসবুকের ওয়াল  প্রতি এক মিনিটে ভেসে যাচ্ছে মানুষের শুভেচ্ছায়। একবার ফোন ধরছি তো একবার ফেইসবুক চেক করছি। এইবার টুইটারও বাদ যায়নি। তবে সব চেয়ে মজা হয়েছিল সানিয়া কে নিয়ে। আমার দিল্লীর খুব প্রিয় বান্ধবী সানিয়া আমাকে কেন যেন ২৯ তারিখে টেক্সট এবং চারিদিকে ম্যাসেজ পাঠিয়ে জন্মদিনের শুভেচ্ছা জানায়। আমি কিছুটা বোকা হয়ে যাই। আমার জন্মদিন তো পহেলা ফেব্রুয়ারী তাহলে এই মেয়ে কি করছে। পরে অবশ্য এই নিয়ে ভীষন হাসাহাসি হয়। বেচারি ভুলেই গেছে আমার জন্মদিন পহেলা ফেব্রুয়ারী, জানুয়ারী না।

সকাল বেলা ঘুম ভেঙ্গেছে ফোনের শব্দে, জন্মদিনের দিনও কেন সকাল ৯টা পর্যন ঘুমাচ্ছি এই নিয়ে সবার মাথা ব্যাথা। কেও বুঝলনা রাতে ঘুমোতে ঘুমোতে আমার ৩টা বেজে গিয়েছিল। ১২টার দিকেই বেড়িয়ে যাই বনানীর উদ্দেশ্যে। সব বন্ধুরা অপেক্ষা করছিল। তিনটা কেইক কাটলাম, সবাইকে খাওয়ালাম, নিজেও খেলাম এর পর যা হল, তা হবার কথা ছিলনা। অনেকটা মন খারাপ করেই আমি বাসায় ফিরে আসি ৫টার দিকে।

৫টার পর একে একে আসতে শুরু করে আমার জীমের সব বান্ধবীরা। তাদের সাথে আরেক দফা কেইক কাটি, অনেক হাসাহাসি হয়। মনটা আমার প্রচন্ড ভাল হয়ে যায়। তাদের যেতে যেতেই চলে আসে বাচ্চা পার্টি। আমার সব কাজিনেরা। বাঁশি, পার্টি হ্যাট এবং কেইক , পিজা দিয়ে শেষ হয় আমার জন্মদিনের পালা।

২রা ফেব্রুয়ারীঃ লাঞ্চ পার্টি থাকে জীমের ফ্রেন্ডদের সাথে। বেইলী রোডে এর আগে আমি কখনও কোন পার্টি  করিনি। এই প্রথম সবার সাথে বেইলী রোড। অনেক uncomfortable feel করি আমি। সাধারনত আমি কিছু হলে গুলশান বনানী বা ধানমন্ডি prefer করি কিন্তু সবার বাসা কাছে হবার জন্য বাধ্য হয়ে বেইলী রোডে আয়োজন করতে হয়। কেন যেন সবাই শুধু দেখে। তাকায় তাকায় দেখে। বেশির ভাগই ছোট ছোট ছেলে মেয়ে কিন্তু তারা শুধু তাকায় থাকে। গিয়েছিলাম ক্যাফে থার্টি থ্রী তে। সেখানে যেয়ে দেখা হল গায়ক হৃদয় খানের সাথে। আমি আবার হৃদয় খানের কিছু গান অনেক পছন্দ করি।তাতে যদি কেও আমাকে পাগল ভাবে আমার কিছু করার নেই! লাঞ্চ শেষ করে চলে যাই মুভ এন্ড পিক এ আইস ক্রিম থেতে। আমার মুভ এন্ড পিক এর আইসক্রিম সব সময়ই পচন্দ। বিশেষ করে তাদের সুইস চকলেট! এইবারো চকলেট সস টপিং সহ তাই নিলাম।

বেশ কিছু ছবি, অনেক হাস্যকর মুহুর্ত এবং সকলের ভালবাসায় আমার ২০১২ সালের জন্মদিন জীবনের এক অন্যতম জন্মদিন হয়ে মনে থাকবে।অনেক অনেক গিফট, টাকা, এবং আব্বুর বিদেশ নিয়ে যাওয়ার খবর সবই আমি পেয়েছি জন্মদিন উপলক্ষে।

তবে…সব চেয়ে অসাধারন গিফট আমাকে আল্লাহ্‌ দিয়েছেন জন্মদিনের দিন দুপুর বেলা।

কেন সেইদিন দুপুর বেলা কিংস থেকে বেড়িয়ে বনানীর রাস্তায় উঠার সাথে সাথে তোমার সাথে আমার দেখা হল? আমার ভাগ্য কেন এত পরিহাস করে আমার সাথে? তবে আমি নিজেকে এত ahhsomely সামলাতে পারি তা সেদিন তোমার সামনে যেয়ে না পরলে আমি বুঝতেই পারতাম না। কত সুক্ষ ভাবে তোমাকে এড়িয়ে যাই, তুমি কথা বলতে চাইলেও আমি তোমাকে একেবারেই অচেনা করে রাস্তার অন্য পাশে চলে যাই। যেই আমি রাস্তা পার হতে প্রায় আধা ঘন্টা সময় নেই সে আমি কি করে কয়েক সেকেন্ড এর মধ্যে রাস্তা পার হয়ে গেলাম? wow me !! চোখে চশমা না থাকা সত্ত্বেও আমি তোমাকে অনেক দূর থেকে খুব ভাল করে চিনেছি, জানিনা কি ভাবে তা হয়। যেখানে আমি ফার্স্ট সিটে বসলেও বোর্ড দেখতে অসুবিধা বোধ করতাম সেখানে কয়েক মাইল দূর থেকেও আমি বুঝে ফেলি তুমি আসছ।  আসলে তখন থেকেই আমি রাস্তা পার হবার জন্য আপ্রান চেষ্টা করছিলাম। তুমি খুব কাছে আসতেই আমি রাস্তা ফাঁকা পেয়ে যাই বলেই পার হয়ে গিয়েছিলাম। দেখ আমাকে, দেখ কতটা কনফিডেন্ট তুমি আমাকে বানিয়েছ মাত্র কয়েক বছরের মাথায়। সেইদিন আমার খুব কষ্ট লেগেছিল এই ভেবে  যে কিভাবে নিজের জন্মদিনের দুপুরটা আমার নষ্ট হয়ে গেল, তোমার চেহরা দেখে কিন্তু তোমাকে দেখে আমার একটু ব্যাথা হয়নি কোথাও। আশ্চর্য হয়ে যাই।  একটুও খারাপ লাগল না আমার ! কেন? আসলেও কি Time heals everything? নাহ, আসলে যা কপালে লেখা নেই তা শরীরের অন্য অংশে আটকে রেখে কি লাভ? আমি ছেড়ে দিয়েছি বলেই আজ আমি এত সুখি এবং স্বার্থক।

Dear Allah, এইভাবে যাকে তাকে রাস্তা ঘাটে আমার সামনে নিয়ে আসাটা কি খুব জরুরী। মানলাম বিপদ বলে আসে না কিন্তু তাই বলে একটু ক্লু তো দিবা !! :P

যাই হোক, সব মিলিয়ে অনেক eventful যাচ্ছে আমার জন্ম সপ্তাহ। সবাইকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ। ফাহিম, তুহিন ভাইয়ারা যারা সময় নিয়ে আমার পেইজ এ কমেন্ট করেছ, কার্ডস দিয়েছ তোমাদের বিশেষ ধন্যবাদ। দেখনা, আমরা কেও কাওকে চিনিনা জানিনা কিন্তু ইন্টারনেটের মাধ্যমে ঠিকই একে অন্যের সুখে দুঃখে পাশে আছি! হে হে হে… সবাই ভাল থাকুন এই দোয়াই করি।

আমি ছুটেতে যাবার আগে আবারো আসব ahhsome কিছু ঘটনা নিয়ে। till then, valentines day করে করে নিজের পকেট খালি করবেন না। valentines day বলে আমাদের কিছু নেই। ভালবাসা যেন হয় প্রতি মুহুর্তে, প্রতি দিনে।

আজ আমার জন্মদিন :)

Posted by নিঃশব্দতার ছন্দ on জানুয়ারি 31, 2012
Posted in: আমার মত কেও..., কাঁচের বাক্সে ঘড়ির কাঁটা, জ্যোৎস্নাক্রান্ত ভাললাগা, পূর্নচন্দ্র মধ্যগগনে, শৈশবের খেলনা. Tagged: জন্মদিন. Leave a Comment

আজ আমার জন্মদিন। জন্ম মানে জন্ম না, জন্ম অনেক আগেই হয়েছে, সত্যি কথা বলতে গেলে বাচ্চা জন্ম দেবার সময় হয়ে গেছে। এই তারিখে আমার জন্ম হয়েছিল। তাই বছরের এই বিশেষ দিনটা জন্মের দিন বলে থাকি!  বেশ কিছু বছর আগে আজকের এই দিনে আমি এক বোঝা আসি পৃথিবীতে। মাঝে মাঝে মনে হয় না আসলে কি হত? এত কঠিন দুনিয়াতে আল্লাহ কেন যে আমাদের  এত পরীক্ষা করে?!

আমার বাবা মা’র শেষ সন্তান আমি। শুনেছি আমার বাবার খুব শখ ছিল তার একটা মেয়ে হবে। তাই দুই ছেলের পর যখন আমি পৃথিবীতে আসি, আমার বাবা মা’র আনন্দের কোন শেষ ছিলনা। অবশ্য আমি জন্মানোর পর আমার বাবা মা’র সব আনন্দ যে মাটি করেছি তা না হয়  ঘটা করে নাই বলি :P । আমার জন্মই হয়েছে মানুষজন কে সিরিয়াস pain দেবার জন্য! ;-)

বছর ঘুরে মাত্র একবার আসে আমার জন্মের তারিখটা । তাই আজকের দিনটাকে স্পেসাল বানানোর জন্য আমি সব কিছুরই আয়োজন করি। এই বছর একের পর এক সব সারপ্রাইজ। সব কিছুর গল্প হবে তবে আজ নয়। আগে পালন করে নেই তারপর না হয় সব ঘটনা একে একে তুলে রাখব আমার ব্লগ এ।

Till then সবাই আমার জন মনের দুয়ার খুলে দোয়া করবেন। দয়া না, দোয়া! :D

তোমাকে পাওয়া…

Posted by নিঃশব্দতার ছন্দ on জানুয়ারি 29, 2012
Posted in: গানের গুনগুনানি, জ্যোৎস্নাক্রান্ত ভাললাগা, শীতের শুকনো পাতায় মর্মরধ্বনি. Tagged: A R Rahman, হিন্দি গান, Rockstar. 2 comments

অনেকদিন পর মনে হল একটা গান শেয়ার করি। বেশ কিছু দিন ধরে এই গান ভিষন গুনগুন করে গাওয়া হচ্ছে কিন্তু সময়ের অভাবে আমি ঠিক মত ব্লগ আপডেট করতে পারছিনা। আজ যেহেতু একটু সময় পেলাম তাই ভাবলাম কেননা একটা খুব সুন্দর গান দিয়ে সবাইকে আনন্দ দেই? আমি জীবনের অনেক ছোট ছোট ahhsome বিষয় তুলে ধরার ব্যার্থ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, আজ এই গানের মধ্যে দিয়ে সেই চেষ্টা চলুক। Rockstar ফিল্ম নিশ্চয় অনেকের দেখা হয়ে গেছে? মজার ব্যাপার হচ্ছে আমি এখনও দেখিনি। সত্যি কথা বলতে গেলে আমি ফিল্ম দেখতে একদম পছন্দ করিনা। তাও যদি থিয়েটার এ যেয়ে ঘটা করে দেখা যেত তা আলাদা কথা। ঘরে বসে দুই ঘন্টা একটানা আমি ডিভিডি চালিয়ে বসে থাকব তা একেবারেই সম্ভব না। এই কারনে আমার Rockstar ফিল্মটা এখনও দেখা হয়নি। যদি কখনও টেলিভিশন এ দেখায় তাহলে একটা চান্স নেব। কারন সেখানে ব্রেক থাকবে আর আমি ব্রেক এ ইচ্ছামত ঘুরে ফিরে ফিল্ম আরাম করে দেখতে পারব। আমি সেই ফিল্ম এরই এক কম পরিচিত গান নিয়ে এসেছি। গানটা আশা করি সবারই ভাললাগবে।

গানও আমি সব শুনিনা। হঠাৎ করে যদি মন ছুঁয়ে যায় তো শুনি না হলে দেখা যায় আমি কিছুদিন হার্ডডিস্ক এ রেখে পরে আবার মুছে ফেলি। এই গানটা শুনেছিলাম যখন Rockstar ফিল্ম এর অরিজিনাল সাউন্ড ট্র্যাকগুলো ডাউনলোড করি। এক সাথে পুরো এলবাম নামানোর কারনে আমি সব গুলো গান একবার করে শুনে দেখি। এই গানটা যখন শুনলাম কেন যেন মনে হল আমি নিজেই গানটা লিখেছি এবং গাচ্ছি। থমকে যাই গানের সুরের গভীরতা শুনে। কেমন যেন nostalgic হয়ে যাই। গান শুনে মন খারাপ আমার দফায় দফায় হতে থাকে তবে সেই মন খারাপ হবার মধ্যেও এক অন্য রকমের আনন্দ আছে। লক্ষ্য করে দেখলাম যেই গান শুনলে আমি অন্য দুনিয়ায় চলে যাই, সেই গানই সব সময়ের প্রিয় গানের তালিকায় নাম লেখায়। যেমন কাভিতার গাওয়া এই অদ্ভুত গানটা। এখনও শুনছি! শুনছি আর অবাক হচ্ছি কি করে রেহমান এত সুন্দর করে গানের কথায় সুর এনে আমার চোখের কোনায় জল আনতে পারে।

বাহিরে প্রচন্ড বাতাস বইছে। সেই বাতাসের সাথে এই গানের কি অবিকল মিল !

এমন অনেক গান আছে, ধীরে ধীরে সব গানগুলো ব্লগ এ পোস্ট করব। Till then সবাই শীতের শেষ মুহুর্তে পিঠাগুলো ভাল করে খেয়ে নিন। :)

Main har jagah
Miloongi ab tujhe

Tum ko..
Paa hi liya..
Paa hi liya..

Posts navigation

← Older Entries
  • আমার সাথে কথা বলতে চাইলে টুইট!

    • can someone suggest me a good photo editing software for android. http://t.co/DxLWSg3u 59 minutes ago
    • I'm at Agora Shantinagar http://t.co/LPh4Xnes 1 hour ago
    • suntastic morning. cant believe its too warm outside. dont like spring.. waiting for November. :-) 6 hours ago
    • I posted a new photo to Facebook http://t.co/fkDG9hiV 18 hours ago
    • :) http://t.co/mf4AmjNx 18 hours ago
    • shopping :-) (@ Pink City, Gulshan 2) http://t.co/HoT59m19 22 hours ago
  • ২৯শে ফেব্রুয়ারী :)

    Photobucket

    জীবনের কোনদিনকেই তুচ্ছ করার উপায় নেই। প্রতিদিনই প্রানবন্ত, হৈচৈপূর্ন এবং স্মৃতির ডায়েরীতে আরেক পৃষ্টার সংযোজন। তারপরও যখন বছর ঘুরে নতুন বছর এসে যায় নিজের কাছেই আশ্চর্যলাগে কিভাবে এত দ্রুত হাত থেকে সময় চলে গেল ভেবে। তবে ২০১২ সাল এর থেকে একটু ভিন্নই বটে। কারন এই বছর আমরা সবাই পাচ্ছি একটি অতিরিক্ত দিন উপভোগ করার। ২৯শে ফেব্রুরারী সবার মনে জায়গা করে রাখুক আগামী তিন বছরের সুখ।

  • অসংখ্য ধন্যবাদ :)

    আমার জন্মদিনকে অন্যতম করে তোলার সফল প্রচেষ্টা যারা করেছে তাদের সকল কে আমার অনেক অনেক অনেক অনেক ভালবাসা। আমার ব্লগার বন্ধুরা যারা ফেইসবুক পেইজ এ শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আপনাদেরও অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমার জীবনের অন্যতম এক জন্মদিন পালন করেছি এই বছর। আশা করি বয়স বাড়ার সাথে সাথে বুদ্ধিরও বিকাশ ঘটবে। জীবনে চলার জন্য সব চেয়ে জরুরী ব্রেইনের সঠিক ব্যাবহার। আমার জন্য দোয়া করবেন সবাই।

  • ভাবনাগুলো…

    • আমার Kellogg’s K!
    • অফুরন্ত সময় এবং সময়ের ব্যাপক ব্যাবহার!
    • কি করি আমি কি করি!
    • কেইক এর Ahhsomeness!
    • আমার জন্ম সপ্তাহ !
    • আজ আমার জন্মদিন :)
    • তোমাকে পাওয়া…
    • বোরহানির ahhsomeness !!
    • একের পর এক আমন্ত্রন !
    • লাল টুকটুকে…
  • আমার মাতৃভাষার মাস

    Photobucket

    ছোটবেলায় পাঠ্য বই এ যখন ভাষা আন্দোলনের শহীদদের নাম মুখস্ত করতে হত তখন কোন কিছু না বুঝেই পরীক্ষার খাতায় লিখে দিয়ে আসতাম। এইভাবে বছর যেতে লাগল আর আমিও বুঝতে শিখলাম প্রতিটার মানুষের নিজ সংস্কৃতি এবং দেশের ঐতিহ্য রক্ষার্থে মাতৃভাষা জানা ছাড়া আর কোন পথ নেই। যতই ইংলিশ মিডিয়াম এবং বাংলা মিডিয়াম কে আলাদা করে দেখিনা কেন, বাংলা ভাষা না জেনে যে বাংলাদেশি পরিচয় দেয় তার প্রতি আমার করুনা হয়। আমি যত ভুলই লিখিনা কেন, তাও আমি বাংলা ভাষায় লেখা বাদ দেইনি, ভবিষ্যাৎ এও দেব না। যেই ভাষায় আমার মা কথা বলে সেই ভাষায় আমার সন্তানেরাও কথা বলবে। আমি শুধু চাই বাংলা ভাষার চর্চা যেন সারা বছর হয়। প্রতিদিনই যেন আমাদের বাংলা ভাষার ব্যাবহার হয়।

  • দুই সপ্তাহের ছুটিতে…

    Photobucket

    এই মাসেরই শেষের দিকে দুই সপ্তাহের ছুটিতে মক্কা, মদিনা, লাহোর, করাচি এবং দুবাই যাচ্ছি। ওমরা শেষে দুই দেশ বেড়ানোই মূল উদ্দেশ্য। সেই সময় ব্লগ থেকে কিছু দিনের জন্য বিরতি এবং আমার যাত্রা যেন সফল হয় তার জন্য বিশেষ দোয়া প্রার্থনা করছি। :)

  • নিজেকে ভালবাসতে শিখুন।

    Photobucket

    Try not to take dinner and watch the television program at the same time. This action would have tendency of overeating as the attention is on TV program and it is difficult to feel the feeling of satiated.

  • I am on Tumblr

    Click on the image to check my Tumblr for some pictures, scrap cards, quotes and other beautiful notes on life.

    Photobucket

  • Enter your email address to subscribe to this blog and receive notifications of new posts by email.

    Join 50 other followers

  • I am on Facebook

    Click on the image to view my page on facebook.

    Photobucket

  • Like !

  • অতীতের কিছু লেখা…

    • ফেব্রুয়ারি 2012
    • জানুয়ারি 2012
    • ডিসেম্বর 2011
    • নভেম্বর 2011
    • অক্টোবর 2011
    • অগাষ্ট 2011
    • মে 2011
  • আপনাদের ভালবাসা...

    tusin on কি করি আমি কি করি!
    সাহাদাত উদরাজী on অফুরন্ত সময় এবং সময়ের ব্যাপক…
    অফুরন্ত সময় এবং সময়ে… on তোমাকে পাওয়া…
    নিঃশব্দতার ছন্দ on কেইক এর Ahhsomeness!
    tusin on কেইক এর Ahhsomeness!
  •  

    ফেব্রুয়ারি 2012
    সোম মঙ্গল বুধ বৃহঃ শুক্র শনি রবি
    « জানু    
     12345
    6789101112
    13141516171819
    20212223242526
    272829  
  • Spam Blocked

    3 spam comments blocked by
    Akismet
  • আমার লেখার বিষয়গুলো

    • অবসরে রসগোল্লা…
    • অসমাপ্ত গল্প
    • আমার মত কেও…
    • কাঁচের বাক্সে ঘড়ির কাঁটা
    • কাছের মানুষেরা…
    • গানের গুনগুনানি
    • জীবন যখন তেজপাতা
    • জীবনে যেমনটি হয়
    • জ্যোৎস্নাক্রান্ত ভাললাগা
    • ঝরে না বর্ষায়…অনন্তকালের বেদনা
    • টক ঝাল মিষ্টি
    • নিয়মনীতির উদারনীতি
    • পূর্নচন্দ্র মধ্যগগনে
    • প্রবাসে সুখলতা
    • শীতের শুকনো পাতায় মর্মরধ্বনি
    • শৈশবের খেলনা
    • সাগরের পারে বনভোজন
    • সানাই এর সুরে বন্ধন
    • সে এক বিস্ময়!
    • স্বাস্থ্যের আনন্দ-ঘুড়ি উড়ছে
Blog at WordPress.com. Theme: Parament by Automattic.