I took the world into me, rearranged it, and sent it back out as a question:
“Do you like me?”
ইংরেজী ভাষার ছাত্রী কিভাবে বাংলায় তার মনোভাব প্রকাশ করে তারই প্রমান আমার এই ছোট্ট মালঞ্চ যাকে আমি ভালবাসি অনেকটা মাফিনের মত আবার কিছুটা সুইস চকলেট এর মত। আমার লেখার বিষয় আমি নিজেই। লিপিবদ্ধ করা পোস্টগুলো আমি নিজেই! শব্দগুলো এক একটি আমার আবেগ-অনুভূতির স্পন্দন। অনুনাদ আমার প্রেমোপাখ্যান এর। কখন অন্তর্বেদনায় পরিখিন্ন হয়ে শব্দগুলো আমারই মনের কথা বলে আবার সময়ে সময়ে হৃৎপিন্ডটি শব্দগুলোকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আমারই চারিপাশে ঘুরে বেড়ায়! এই ব্লগ যেমন আমার প্রানের কথা বলে তেমন প্রতিটি লেখা আমার হৃদয়মন জুড়ে! আমি জীবনের সেই সকল সূর্যরশ্মি নিয়ে লিখি যার উত্তাপ কেও পেয়েও পায়না। আমি সেই সকল বর্ষামুখর কবিতার ছন্দ মেলাই যার কাব্যিক কোন অন্ত্যমিল নেই। আমি সেই সাঁঝের প্রদিপের উজ্জ্বলতা নিয়ে ভাবি যার অস্পষ্টতা সকলের দৃষ্টিতে চিরকাল একই থাকে। নিদ্রাহীন রাত কাটানোর গল্প আমি নিশাচর পাখিকে শোনাই! আমার জীবন একটি উন্মুক্ত পুস্তক যার ফাঁকে ফাঁকে রয়েছে হাজারো বিস্ময়ে অভিভূত করে দেবার মত বাস্তবতা। আমি সেই মেয়ে যে ইংরেজী ভাষায় পড়াশোনা করেও ভূবনের আকস্মিক ব্যাপারগুলোকে বাংলা ভাষায় একটু একটু করে অলঙ্কৃত করি। আমার নারীত্ব, আমার লেখায়। আমার ব্যাক্তিত্ব রমণীরঞ্জন পুরুষের নেশায়।
Welcome aboard!











tomar mail address dao….
কিছু বলার থাকলে – http://twitter.com/#!/untitled_fear
বেশ সুন্দর লেখা! পড়তে ভালো লেগেছে, জানতেও ভালো লেগেছে। মনে হচ্ছে তোমার ব্লগে ভালোলাগার মতো কন্টেন্ট পবো। কিন্তু ঘটনা কি আপু, নিজের জীবনের একটা বিষয়ে সেকেন্ড চান্স নেই কিন্তু আবার পরক্ষনেই এটাও বলছো, “একবার আমার জীবনে জিনিষটা হয়নি বলে বা আমি পারিনি বলে দরজা বন্ধ করে বসে না থেকে সেকেন্ড চান্স জীবন কে অবশ্যই দেয়া উচিত।”
হুম……